বিশ্বজুড়ে ২০২৬ ইংরেজি নতুন বছর বরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

সময় অঞ্চলের ভেদে একের পর এক দেশে শুরু হয়েছে ২০২৬ ইংরেজি নতুন বছরের উদযাপন।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে শুরু হয়ে ইউরোপ, আফ্রিকা পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত আমেরিকা মহাদেশে গিয়ে শেষ হচ্ছে এই বৈশ্বিক উৎসব।

নতুন বছরকে সবার আগে স্বাগত জানায় প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্রগুলো।

এরপর নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে স্কাই টাওয়ার ঘিরে আতশবাজি ও আলোঝলমলে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুরু হয় বড় শহরগুলোর উদযাপন।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনি হারবারে অপেরা হাউস ও হারবার ব্রিজকে কেন্দ্র করে ঐতিহ্যবাহী আতশবাজির প্রদর্শনীতে জড়ো হয় লাখো মানুষ।

এশিয়ার শহরগুলোতেও ছিল ব্যস্ততা। জাপানে মন্দিরে ঘণ্টা বাজিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে নতুন বছর বরণ করা হয়। সাউথ কোরিয়ার সিউলে ঐতিহ্যবাহী ঘণ্টাধ্বনির আয়োজন হয়, আর থাইল্যান্ড ও চীনের বড় শহরগুলোতে আতশবাজি ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

ইউরোপে লন্ডনের থেমস নদীর তীর, প্যারিসের শঁজেলিজে, বার্লিন ও রোমে আলো, সঙ্গীত ও আতশবাজির মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়।

তবে পরিবেশ ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কিছু দেশে কম শব্দের আতশবাজি বা ড্রোন শোর আয়োজন করা হয়।

আমেরিকা মহাদেশে উদযাপন শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়। নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে ঐতিহ্যবাহী বল ড্রপ অনুষ্ঠানকে ঘিরে ছিল কড়া নিরাপত্তা ও বিশাল জনসমাগম।

ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোর কোপাকাবানা সৈকতে চলে রাতভর কনসার্ট ও আতশবাজির প্রদর্শনী।

সব মিলিয়ে, ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যে হলেও এক অভিন্ন অনুভূতিতে নতুন আশা, শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রত্যাশায় বিশ্ববাসী ২০২৬ সালকে বরণ করে নিচ্ছে।