দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর নির্বাসন শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে দেশের রাজনীতিতে আলোচনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও খবরটি গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, তারেক রহমান বিএনপির প্রধান নেতা এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দীর্ঘ সময় বিদেশে অবস্থানের পর তাঁর দেশে ফেরা নির্বাচন-পূর্ব রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি প্রতিবেদনে তারেক রহমানের ফেরাকে বিএনপির রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে দেখেছে।
সেখানে বলা হয়েছে, দেশে ফিরে তিনি দল পুনর্গঠন ও মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারেন, যা বিরোধী রাজনীতিকে নতুন গতি দিতে পারে।
বিবিসি ও আল জাজিরা তাদের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরেছে।
এসব প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁর ফেরা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক ভারসাম্যে পরিবর্তন আনতে পারে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানায়, তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দর এলাকায় বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মীর উপস্থিতি দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এই জনসমাগমকে রাজনৈতিক সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের দেশে ফেরা শুধু একটি ব্যক্তিগত প্রত্যাবর্তন নয়; এটি বিএনপির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে দেশের রাজনীতিতে নতুন বাস্তবতা তৈরি করতে পারে।
এ কারণে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে আন্তর্জাতিক মহলের নজর আরও বাড়ছে।
