আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সম্প্রতি একটি মার্কিন প্রস্তাবনায় গাজায় একটি ‘আন্তর্জাতিক স্থায়ীকরণ বাহিনী’ স্থাপনের ম্যান্ডেট অনুমোদন করেছে। যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিলফায়ার চুক্তির অংশ।
এই বাহিনীকে গাজার সীমান্ত এলাকা নিরাপদ রাখতে, মানবিক সাহায্যের স্বচ্ছতা রক্ষা করতে, নতুন প্রশিক্ষিত ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনী গঠনে সহযোগিতা করতে এবং গাজাকে “ডি-মিলিটারাইজ” করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, এবি বাহিনী আন্তর্জাতিক মানবিক ও আন্তর্জাতিক আইন মেনে “প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ” নিতে পারবে। এছাড়া একটি “শান্তি বোর্ড” গঠন করা হবে, যার ভূমিকায় থাকবে ট্রানজিশনাল গভর্নেন্স ও পুনর্নির্মাণ পরিকল্পনায় নেতৃত্ব দেওয়া।
তবে, হামাস এই পরিকল্পনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। সংগঠনের এক মুখপাত্র আল জাজিরাকে বলেছে, গাজায় বিদেশি সেনা উপস্থিতি এক প্রকার বহিরাগত অভিভাবকতন্ত্রে পরিণত হবে এবং এটি ইসরাইলি দখলের বদলে বিদেশি দখল”।
এদিকে, নিরাপত্তা প্রচেষ্টার ঘোষণা হলেও, গাজার সাধারণ জনগণের উপর চলমান গণভবনের ওপর হামলা থামেনি। আল জাজিরা জানিয়েছে, গাজা শহরের দারাজ এলাকায় একটি স্কুল তৈরি আশ্রয় কেন্দ্রে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। হানলায় অন্তত শিশুসহ ১৩ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছে।
শীত আসায় গাজায় মানবিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে। গাজার কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, ব্যস্তচ্যুত ফিলিস্তিনিদের আশ্রয়ের জন্য কমপক্ষে ৩ লাখ তাঁবুর প্রয়োজন। ইতিমধ্যেই অনেকেই প্লাবন ও ঠাণ্ডার মুখে পড়ে আছে।
