নিজস্ব প্রতিবেদক:
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী ৪টি অভিযোগে শেখ হাসিনার ফাঁসির আদেশ ও অন্য আরেকটি অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
এছাড়া রায়ে আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড ও আসামী থেকে রাজসাক্ষী হওয়ায় চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
রায়ের বাস্তবায়ন আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল যে সাজা দিয়েছে, সেটি আসামিরা যেদিন গ্রেপ্তার হবে সেদিন থেকে কার্যকর হবে। আইনি পথেই রায় বাস্তবায়ন হবে।
রায় নিয়ে সন্তোষ জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন ও বিচারকেরা।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ফ্যাসিস্ট যত শক্তিশালী হোক বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবেই, এই বিচার আসামীর জন্য এক মাইলফলক।
এছাড়া শেখ হাসিনার সর্বোচ্চ সাজার রায়ে সন্তোষ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
শেখ হাসিনার বিচারের মাধ্যমে অভ্যুত্থানের শহিদদের সঙ্গে ন্যায় বিচার হয়েছে বলে মন্তব্য করছেন এনপিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
রায়ের পর ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ জানায়, মানবতাবিরোধী অপরাধের রায়ের পর শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন সম্ভাবনা আরও ক্ষীণ হয়ে গেল।
