যেভাবে সাফ ফুটসালের প্রথম আসরেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ মেয়েদের ফুটবলে সাবিনা খাতুনের হাত ধরে প্রথমবার সাফ ফুটবলের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। প্রথমবার সেই সাবিনা খাতুনের হাত ধরে সাফ ফুটসালের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। থাইল্যান্ডে প্রথমবার বসেছিল সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের আয়োজনে (সাফ) ফুটসালের প্রথম আসর। সেই আসরে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটসাল দল। সাত দলের আসরে পাঁচ ম্যাজে জয় ও এক ম্যাচে ড্র করেছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতা সাবিনা খাতুন।

ভারতকে ৩-১ গোলে হারিয়ে আসর শুরু করেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে ৩-৩ ড্র করেছিল লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। পরের তিন ম্যাচে নেপালকে ৩-০, শ্রীলঙ্কাকে ৬-২ এবং পাকিস্তানকে ৯-১ গোলে হারায় বাংলাদেশের মেয়েরা। শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে প্রথম আসরেই শিরোপা নিজেদের ঘরে রেখে দিলো সুমাইয়া-কৃষ্ণা-মাসুরা।

ছয় ম্যাচে বাংলাদেশ প্রতিপক্ষকে মোট ৩৮ গোল দিয়েছে। বিপরীতে গোল হজম করেছে ১০টি। আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতা বাংলাদেশের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন। তিনি মোট ১৪ গোল করেছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা বাংলাদেশের শ্রীমতি কৃষ্ণা রানী সরকার ও ভারতের খুশবু সরোজ। তারা ৭টি করে গোল করেছেন। এছাড়া বাংলাদেশের সুমাইয়া ও লিপি আক্তার ৪টি করে এবং মাসুরা ও নওশোন জাহান ৩টি করে গোল করেছেন। একটি করে গোল করেছেন নিলুফা ইয়াসমিন ও মেহেরুন আক্তার। বাংলাদেশ আত্মঘাতী কোনো গোল করেনি আসরে।

ব্যাংককের ননথাবুরি স্টেডিয়ামে ষষ্ঠ ও শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে হারায় ১৪-২ গোলে। বাংলাদেশের হয়ে সাবিনা খাতুন ৪ গোল করেন। লিপি আক্তার করেন ৩ গোল, শ্রীমতি কৃষ্ণা রানী সরকার ২ গোল করেন। এছাড়া মাসুরা পারভীন, নওশীন জাহান, নিলুপা ইয়াসমিন নিলা, সুমাইয়া মাতসুশিমা ও মেহেনুর আক্তার করেন একটি করে গোল। মালদ্বীপের হয়ে একটি গোল করেন মারিয়াম নুরা, অন্য গোলটি আসে বাংলাদেশের মাসুরা পারভীনের গাঁয়ে লেগে।

আসরে সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়ের রেকর্ডও বাংলাদেশের দখলে। মালদ্বীপের মেয়েদের সর্বোচ্চ ১৪-২ ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। তৃতীয় সর্বোচ্চ ৯-১ গোলের জয়ের রেকর্ডও নওশোন-লিপিদের দখলে। পাকিস্তানকে ওই ম্যাচে হারিয়েছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।