তফসিল প্রত্যাখান, ‘নিরপেক্ষ’ সরকারের অধীনে নির্বাচন চায় আওয়ামী লীগ

নির্বাচন কমিশনের তফসিল প্রত্যাখান করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ভোট আয়োজনের দাবি জানিয়েছে আওয়ামী লীগ।

গেল বছর আন্দোলনের মুখে ক্ষমতা হারানো দলটি বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে এক বিবৃতিতে বলেছে, দেশের জনগণের বৃহত্তম অংশের প্রতিনিধিত্বকারীদের বাইরে রেখে এই তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার তফসিল ঘোষণায় আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট আয়োজনের দিনক্ষণ জানিয়েছেন।

নিবন্ধন স্থগিত থাকায় এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না আওয়ামী লীগ। দলটির কার্যক্রমের উপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে।

আওয়ামী লীগের বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার পক্ষপাতদুষ্ট এবং তাদের অধীনে সুষ্ঠু-স্বাভাবিক পরিবেশে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে জনগণের মতামতের প্রতিফলন অসম্ভব।

“নির্বাচনই জনপ্রিয়তা পরিমাপের মাপকাঠি। আওয়ামী লীগ নির্বাচনমুখী দল। আওয়ামী লীগ জনগণের সামনে দাঁড়ানোর মতো শক্তি, সাহস ও সামর্থ্য রাখে। আওয়ামী লীগ জন্মলগ্ন থেকে ১৩টি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে এবং তন্মধ্যে ৯টিতে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছে”, বলা হয় বিবৃতিতে।

আওয়ামী লীগের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ জাতীয় নেতা ও সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের বিরুদ্ধে দায়ের করা ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহার, সকল ‘রাজবন্দির’ নিঃশর্ত মুক্তি এবং বর্তমান সরকারকে বাদ দিয়ে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছে দলটি।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া দলটি বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছে, “আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল অর্থাৎ জনগোষ্ঠীর অধিক অংশ নির্বাচনের বাইরে রেখে নির্বাচনের আয়োজন সমগ্র দেশ ও জাতিকে গভীর সংকটের দিকে নিয়ে যাওয়ার পাঁয়তারা।”