সুদানে যেভাবে হত্যা করা হয় ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে

সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর ৬ বাংলাদেশি সদস্যকে হত্যার ঘটনায় র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স- আরএসএফকে দায়ী করা হচ্ছে।

আরএসএফ সুদানের নিয়ন্ত্রণ নিতে সুদানিজ আর্মির সঙ্গে লড়াইয়ে আছে, প্রাণঘাতি যুদ্ধে বিধ্বস্ত দেশটির প্রায় ৪০ শতাংশ এই প্যারামিলিটারি বাহিনীর দখলে রয়েছে।

নিহত ৬ বাংলাদেশি জাতিসংঘের ইন্টেরিম সিকিউরিটি ফোর্স ফর আবেই এর অধীনে ছিলেন। বাহিনীটি সুদান ও দক্ষিণ সুদানের বিরোধপূর্ণ সীমান্ত এলাকা আবেই এর দায়িত্বে আছে।

এই বাহিনীর ঘাঁটি ছিল সাউথ কুরদুফান রাজ্যের রাজধানী কাদুগলিতে।

যেভাবে মারা যান ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

জাতিসংঘের ইন্টেরিম সিকিউরিটি ফোর্স ফর আবেই এর একটি সূত্র জানিয়েছে, শনিবার ৩টি ড্রোন বাহিনীর ঘাঁটিতে হামলা চালায়।

এই ঘাঁটিটি মূলত লজিস্টিকস ক্যাম্প হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল, সেখানে একটি ফুয়েল স্টেশনও ছিল।

ড্রোন হামলার পরপরই পুরো ঘাঁটিতে দাউ দাউ করে আগুন ছড়িয়ে পড়ে, বহু দূর থেকেও পোড়া কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়।

সুদানে ২০২৩ সালে অভ্যন্তরীণ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর জাতিসংঘ মিশনের উপর এটিই প্রথম সরাসরি হামলার ঘটনা।

ড্রোন হামলার সময় ৬ বাংলাদেশি নিহত হওয়ার পাশাপাশি অন্তত ৮ জন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন।

সূত্রগুলো বলছে, আহতদের ২ জনের অবস্থা গুরুতর।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঘটনার সময় আরএসএফের মিত্র এসপিএলএম-এন গ্রুপের যোদ্ধাদের ব্যাপক গুলি চালাতে দেখেন তারা।

জাতিসংঘ মিশনের সূত্রগুলো মনে করছে, ড্রোন হামলায় ঘাঁটিটি ধ্বংস হওয়ার পর এই এলাকা থেকে শান্তিরক্ষী বাহিনী সরিয়ে নেয়া হতে পারে, যা ঘটলে সুদানের আরও এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয়া আরএসএফের জন্য সহজ হবে।

সুদানিজ আর্মি ঘটনার জন্য আরএসএফকে দায়ী করলেও ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছে আরএসএফ।

1 thought on “সুদানে যেভাবে হত্যা করা হয় ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে”

Comments are closed.