পুতুল সরকার
বাংলাদেশের একটি বিভাগীয় শহর বরিশালে এইডসে আক্রান্তদের মধ্যে অর্ধেকের বেশিই শিক্ষার্থী থাকার উদ্বেগজনক চিত্র ধরা পড়েছে সরকারি তথ্যে।
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এআরটি সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে ২০ জন ব্যক্তি এইচআইভি পজিটিভ হয়েছেন।
এদের মধ্যে ১১ জনই শিক্ষার্থী।
আক্রান্তরা ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সেন্টারে এইচআইভি পরীক্ষা করতে এসেছিলেন। এর বাইরে অনেকে এইডসে আক্রান্ত থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শিক্ষার্থীরা কেন এইডসে আক্রান্ত হচ্ছে?
এইডসে আক্রান্তদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী থাকার তথ্য বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এসব শিক্ষার্থীর অবস্থা বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, তাদের বয়স ১৭ বছর থেকে ২৮ বছরের মধ্যে। এইচএসসি থেকে মাস্টার্স শ্রেণির শিক্ষার্থী রয়েছেন আক্রান্তের তালিকায়।
ধারণা করা হচ্ছে, এদের অনেকে আরও আগে থেকেই এইডসে আক্রান্ত ছিলেন, লক্ষণ তীব্র হওয়ার পর তারা এআরটি সেন্টারে আসেন।
এআরটি সেন্টারের কাউন্সিলর জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের এইডসে আক্রান্ত হওয়ার কারণ হলো সমকামিতায় জড়িয়ে পড়া।
তিনি বলেন, “এরা সবাই সমকামী। তাদের চিকিৎসার আওতায় আনা হয়েছে। তারা যেন অন্য কারো সংস্পর্শে না যায়, সেজন্য কাউন্সিলিং করা হচ্ছে।”
শিক্ষার্থীরা যাদের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে ছিল, তাদের অনেকে এখনো এইচআইভি পরীক্ষা করেনি বলেনি জানান জসিম উদ্দিন।
ফলে এইচআইভি আক্রান্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে তার আশঙ্কা।
এই পরিসংখ্যানকে উদ্বেগজনক জানিয়ে চিকিৎসকরা শিক্ষক ও অভিভাবকদের শিক্ষার্থীদের বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

1 thought on “বরিশালে শিক্ষার্থীরা যে কারণে এইডসে আক্রান্ত হচ্ছে”
Comments are closed.