পশ্চিমাদের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা কমে আসার মধ্যেই পারস্য উপসাগরে রণতরী পাঠানোর তথ্য দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে, প্রয়োজনে যুদ্ধজাহাজের ব্যবহার করা হতে পারে।
তবে এখনই সামরিক অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত হয়নি জানিয়ে তিনি বলেছেন, ইরানের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতেই শক্তিশালী নৌবহর পারস্য উপসাগরের দিকে যাচ্ছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “আমরা ইরানকে নজরে রাখছি। প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য আমাদের অনেক জাহাজ ওই দিকে যাচ্ছে। ইরানের দিকে একটি বড় শক্তি অগ্রসর হচ্ছে।”
এর আগে মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছিল, দক্ষিণ চীন সাগরে মহড়ায় থাকা ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত সপ্তাহে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অভিযানের জেরে সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প।
তবে পরে হোয়াইট হাউস জানায়, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত করায় যুক্তরাষ্ট্র সেই হামলার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।
ট্রাম্প দাবি করেন, তার সামরিক হুমকির কারণেই ৮৩৭ জন বিক্ষোভকারীর ফাঁসি কার্যকর হয়নি।
তিনি বলেন, “আমি চাই না কিছু ঘটুক, কিন্তু আমরা তাদের খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছি। হয়তো আমাদের এটি (বিশাল নৌবহর) ব্যবহারই করতে হবে না।”
এদিকে মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাদ দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের নিশানায় থাকায় সেগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিতে পারস্য উপসাগরে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হচ্ছে।
নৌবহরে যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোনের মত যুদ্ধ সরঞ্জাম পাঠানোর তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
