গত মৌসুমে ইউরোপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। সেই সাফল্যের প্রতিধ্বনি শোনা গেল ফিফা দ্য বেস্ট পুরস্কার মঞ্চে।
পুরুষ বিভাগে বর্ষসেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি পেয়েছেন পিএসজির ফরাসি ফরোয়ার্ড উসমান দেম্বেলে। কিলিয়ান এমবাপে ও লামিনে ইয়ামালের মতো তারকাদের পেছনে ফেলে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জেতেন তিনি।
নারী বিভাগে টানা তৃতীয়বারের মতো বর্ষসেরা নির্বাচিত হয়েছেন বার্সেলোনা ও স্পেনের মিডফিল্ড জাদুকর আইতানা বোনমাতি।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের মৌসুমে দেম্বেলের পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো। ইউরোপীয় অভিযানে আট গোল ও ছয় অ্যাসিস্টে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি। লিগ ১ ও মহাদেশীয় প্রতিযোগিতায় মোস্ট ভ্যালুয়েবল খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতার পাশাপাশি পিএসজির ঘরোয়া ট্রেবল জয়ের পথেও ছিলেন অন্যতম চালিকাশক্তি।
২৮ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড ক্লাবকে প্রথম ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলতে সহায়তা করেন, যদিও শেষ ম্যাচে চেলসির কাছে হার মানতে হয় প্যারিসের ক্লাবকে।
পিএসজির সাফল্যের স্বীকৃতি মিলেছে কোচিং বিভাগেও। সেরা কোচ নির্বাচিত হয়েছেন লুইস এনরিকে।
বর্ষসেরা পুরুষদের দলে ছয়জন খেলোয়াড় জায়গা করে নিয়ে পিএসজির আধিপত্য স্পষ্ট করেছেন। গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোনারুমা যিনি পিএসজির হয়ে ইতিহাস গড়ে পরে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি জিতেছেন সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার।
নারী ফুটবলে আইতানা বোনমাতির দাপটও ছিল অনস্বীকার্য। উয়েফা নারী চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও উয়েফা ইউরোর ফাইনালে দল শিরোপা না পেলেও দুই টুর্নামেন্টেই মোস্ট ভ্যালুয়েবল খেলোয়াড় নির্বাচিত হন তিনি। বার্সেলোনার ঘরোয়া ট্রেবল জয়ের পেছনেও ছিল তার অনুপ্রেরণামূলক ভূমিকা। যার ফলেই টানা তৃতীয়বার দ্য বেস্টের মুকুট উঠল তার মাথায়।
ফিফা দ্য বেস্ট পুরুষদের একাদশ:
গোলরক্ষক: জিয়ানলুইজি দোনারুমা
ডিফেন্ডার: আশরাফ হাকিমি, উইলিয়ান পাচো, ভার্জিল ফন ডাইক, নুনো মেন্ডেস।
মিডফিল্ডার: কোল পামার, ভিতিনহা, পেদ্রি, জুড বেলিংহাম।
ফরোয়ার্ড: উসমান দেম্বেলে, লামিনে ইয়ামাল।
