আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
চীনের খনিজ খাতে যেন নতুন স্বর্ণযুগের সূচনা হলো। উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় লিয়াওনিং প্রদেশে যে স্বর্ণভান্ডারের সন্ধান মিলেছে, তা দেশটির গত সাত দশকের ইতিহাসে এককভাবে সবচেয়ে বড় মজুত বলে নিশ্চিত করেছে বেইজিং।
১৪ নভেম্বর প্রকাশিত সরকারি বিবৃতি ও বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, দাদোংগৌ এলাকায় নতুন আবিষ্কৃত খনি দেশটির খনিজ সম্পদ ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের মোড় ঘোরাতে পারে।
চীনের প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মাত্র ১৫ মাসের অনুসন্ধান কার্যক্রমে দাদোংগৌ এলাকার স্বর্ণক্ষেত্রের অবস্থান নির্ধারণ সম্ভব হয়েছে। সাধারণত এমন অনুসন্ধানে দীর্ঘ সময় লাগে। ফলে দ্রুত অনুসন্ধানের এই মডেলকে ভবিষ্যত খনিজ খাতের সম্ভাব্য দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছে কর্তৃপক্ষ।
রাষ্ট্রীয় গ্লোবাল টাইমস জানায়, ১,৪৪৪.৪৯ টন প্রমাণিত স্বর্ণ রয়েছে।
খনিটির অবস্থান সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭২০ মিটার উচ্চতার ওপরের এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। সেখানে প্রায় ২.৫৮৬ বিলিয়ন টন আকরিক রয়েছে। যেখানে গড়ে প্রতি টনে ০.৫৬ গ্রাম স্বর্ণ পাওয়া যাবে বলে ধারণা কর্মকর্তাদের।
বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক স্বর্ণবাজারের অস্থিরতার মধ্যে চীনের এই আবিষ্কার বিশ্ব বাজারে শক্তির ভারসাম্যে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
দেশের নিজস্ব স্বর্ণসংরক্ষণে বড় ধরনের নিরাপত্তা বলয় তৈরি হবে। খনি উন্নয়নে নতুন প্রযুক্তি ও দ্রুত অনুসন্ধানের পদ্ধতি ভবিষ্যৎ প্রকল্পগুলোকে ত্বরান্বিত করবে।
চীন এবার শুধু আরেকটি খনি আবিষ্কার করেনি বরং আগামী দশকের খনিজ কৌশলে নিজেদের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করার ইঙ্গিত দিয়েছে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
