নারীদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে সাউথ আফ্রিকাকে ৫২ রানে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। হারমনপ্রিত কোরের হাত ধরে মেয়েদের বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুললো আসরের স্বাগতিক দল। ফাইনালে ম্যাচ সেরা হয়েছেন ওপেনার শেফালি ভার্মা। প্লেয়ার অব দ্য সিরিজ হয়েছেন ভারতের ডানহাতি স্পিনিং অলরাউন্ডার দীপ্তি শর্মা।
এ আসরে আগে দুবার বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলেছিল ভারত। শিরোপা কাছাকাছি পৌঁছেও কখনও তা স্পর্শ করে দেখা হয়নি তাদের স্মৃতি মান্দানাদের। এবারের আসরে তৃতীয়বারের মত ফাইনালের টিকিট কাটে ভারত। ঘরের মাঠে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করেনি হারমানপ্রিত কোরের দল।
নাভি মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে টসে জিতে ভারতকে আগে ব্যাটের আমন্ত্রণ জানান প্রোটিয়া অধিনায়ক লরা উলভার্ট। ব্যাটে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৯৮ রান তোলে ভারতের মেয়েরা। জবাব দিতে নেমে ২৪৬ রানের বেশি তুলতে পারেনি সাউথ আফ্রিকা। ভারত জয় তোলে ৫২ রানে।
মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ৩৫৬ রানের রেকর্ড অস্ট্রেলিয়ার। ২০২২ সালে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে হওয়া ফাইনালে ইংল্যান্ডের মেয়েদের বিপক্ষে এ রান করেছিল অজিরা। জবাবে ২৮৫ রানে অলআউট হয়েছিল ইংল্যান্ড যা ছিল বিশ্বকাপের ফাইনালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। আগে ব্যাট করা ভারত ২৯৮ রান করে টপকে গেছে ইংল্যান্ডের সেই রেকর্ড।
ফাইনালে সাউথ আফ্রিকার অধিনায়ক লরা উলভার্টের সেঞ্চুরি কাজে লাগেনি দলের জন্য। অন্য ব্যাটারদের দ্রুত সাজঘরে ফেরার তাড়ায় আসরের সর্বোচ্চ রানশিকারীকে বঞ্চিত হতে হয়েছে শিরোপা থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেছেন সিনালো জাফরা। ২৫ রান আসে সানি লুজের থেকে। ৫ উইকেট নিয়েছেন দীপ্তি শর্মা, ২ উইকেট নিয়েছেন পার্টটাইম বোলার শেফালি ভার্মা।
ভারতের উদ্বোধনীতে দুই ব্যাটার তোলেন ১০৪ রান। মান্দানা ৪৫ করে আউট হন। এরপর শেফালি ও জেমিমা রদ্রিগেজের সাথে ৬২ রানের আরেকটি জুটি গড়েন। পরে শেফালি ৮৭ করে আউট হন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৭ রানের ইনিংস আসে দীপ্তি শর্মার ব্যাট থেকে। এছাড়া ২৪ বলে ৩৪ রান করে আউট হন রিচা ঘোষ। প্রোটিয়া বোলারদের মধ্যে আয়াবোঙ্গা খাকা নেন ৩ উইকেট।
