নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার সকালের এই ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন।
নিহত শ্রমিক হাবিব ভেনচুরা লেদার ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে কাজ করতেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের একজন চিকিৎসক জানিয়েছেন, মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া শ্রমিকের বুকে ক্ষত ছিল।
সংঘর্ষ থামলেও গোটা এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে, যান চলাচল বন্ধ রয়েছে নীলফামারী-সৈয়দপুর মহাসড়কে।
এভারগ্রিন কোম্পানির শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধসহ কয়েকটি দাবিতে গত ২দিন ধরেই শ্রমিকরা আন্দোলন করে আসছিলেন।
এর মধ্যে সোমবার রাতে এভারগ্রিন কোম্পানি বন্ধের নোটিশ দেয়ায় সকালে ইপিজেডের গেইটে তালা দিয়ে আন্দোলনে নামে কয়েক হাজার শ্রমিক।
একপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। তাতে এক শ্রমিকের মৃত্যুর খবর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তুলে।
