রাবি প্রতিনিধি:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) ও সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনে অংশ নিতে ২৮টি পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে শাখা ছাত্রদল। আজ বৃহস্পতিবার (২৮আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে রাকসু কোষাধ্যক্ষ কার্যালয় থেকে এই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদে ২৩ টি ও সিনেটের ৫টি পদে ফরম তুলেছেন বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।
তবে কে কোন পদে, বা তাদের প্যানেলে কে কে থাকছে তা জানানো হয়নি। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্যানেল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।
ছাত্রদল সূত্রে জানা যায়, সংগঠনটির পক্ষ থেকে কোনো পদ উল্লেখ না করে আজ সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিঠু, সহ-সভাপতি নুরুদ্দীন আবির, জান্নাতুল নাঈম তুহিনা; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহীন বিশ্বাস এষা, শাহ মুহাম্মদ কাফী, সামাদ মুবিন, দপ্তর সম্পাদক নাফিউল ইসলাম জীবন, সহ-দপ্তর সিয়াম বিন আইয়ুব, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক রাফায়েতুল ইসলাম রাবিত, প্রচার সম্পাদক আর রাফি খান, বিজয় ২৪ হলের সভাপতি গাজী ফেরদৌস হাসান ও শেরে বাংলার সভাপতি এম এইচ জেমসসহ সুপার কমিটি এবং কয়েকটি হল কমিটির নেতারা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ এবং সিনেটের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।
মনোনয়ন সংগ্রহ শেষে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহীন বিশ্বাস এষা বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল গণতন্ত্রে বিশ্বাসী একটি দল। বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে রাকসু। আমরা সেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হতে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছি।
সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিঠু বলেন, ‘ আমরা সিনেটের ৫টিসহ মোট ২৮ টি ফরম সংগ্রহ করেছি। আগামী ৪ তারিখে ফরম জমা দিয়ে প্যানেল ঘোষণা করব। তবে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন শুরু থেকে এখন পর্যন্ত অপেশাদার আচরণ করে যাচ্ছে। তাদের দায়িত্বে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে আমরা এখনও শঙ্কিত। এ বিষয়গুলোর সমাধান চাই।’
প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের রাকসু ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির দাবি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য ভর্তি হওয়া ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের রাকসু নির্বাচনে ভোটার তালিকায় অর্ন্তভভূক্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে রাজশাহী শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী চত্বরের পেছনে সংগঠনটির দলীয় টেন্ট থেকে এ বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়।
এসময় শাখা ছাত্রদল সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থীরা মেধার যুদ্ধে উত্তীর্ণ হয়ে এখানে এসেছে। অথচ তাদের নির্বাচনের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে প্রশাসন। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু নিবার্চন আয়োজনের আহ্বান জানাই।
