ইরানের খারগ দ্বীপে বড় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানের খারগ দ্বীপের সামরিক স্থাপনায় বড় ধরণের হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে, তেল অবকাঠামোতে হামলা হয়নি। ইরানের মেহর নিউজ এজেন্সি এতথ্য জানিয়েছে। তেলের ক্ষেত্রে দ্বীপটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ইরানের তেলের বড় অংশ এখান দিয়ে রপ্তানি হয়।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলনে ইরানের সভ্যতা ধ্বংস হতে পারে, যা আর পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে না।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে ‘প্রচুর আলোচনা ও দরকষাকষি’ চলছে। এই সময়সীমা পার হলে ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোয় বড় হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর -আইআরজিসি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র রেড লাইন অতিক্রম করলে ইরানের প্রতিহিংসা শুধু আঞ্চলিক সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। যুক্তরাষ্ট্র যদি বেসামরিক স্থাপনায় হামলা করে তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বহু বছরের তেল ও গ্যাস সরবরাহ ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।

ইসরাইলের কিরিয়াত সমনা শহরের একটি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে ইরান ও হিজবুল্লাহ। তবে এতে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

এছাড়া দক্ষিণাঞ্চলীয় নেগেভের দিকে ধেয়ে আসা ইরান থেকে ছোঁড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র পথিমধ্যে ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তেলআবিব।

পাল্টা ইরানজুড়ে চালানো ইসরাইলি হামলায় সব ধরনের পরিবহন পথ রেলপথ, সেতু এবং প্রধান মহাসড়কগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।

ইরানের ওপর হামলা জোরদার হওয়া এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা ঘনিয়ে আসার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার পথ প্রশস্ত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে পাকিস্তান।