আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরে মাদকচক্র ও তথাকথিত “নার্কো-সন্ত্রাসীদের” বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
বুধবার এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণের কমান্ড জানায়, ৩ মার্চ থেকে ইকুয়েডরের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে অভিযান চালানো হচ্ছে। সংস্থাটির প্রধান জেনারেল ফ্রান্সিস ডনোভ্যান বলেন, ইকুয়েডর ও যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী দেশের ভেতরে ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে নার্কো-সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে অংশীদার দেশগুলোর প্রতিশ্রুতির এটি একটি শক্তিশালী উদাহরণ।
বিবৃতির সঙ্গে প্রকাশিত ভিডিওতে সামরিক হেলিকপ্টারের উড্ডয়ন এবং আকাশ থেকে নজরদারির কিছু দৃশ্য দেখা গেছে। তবে এই অভিযানের সুনির্দিষ্ট পরিধি এখনো স্পষ্ট নয়।
মার্কিন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আপাতত যুক্তরাষ্ট্র ইকুয়েডরের সেনাবাহিনীকে মূলত গোয়েন্দা তথ্য ও লজিস্টিক সহায়তা দিচ্ছে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, “মাদকচক্র দীর্ঘদিন ধরে সহিংসতা ও দুর্নীতির মাধ্যমে পুরো অঞ্চলের মানুষকে আতঙ্কিত করে রেখেছে। এই যৌথ অভিযানের মাধ্যমে আমরা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
সমালোচকদের দাবি, মাদক পাচার আন্তর্জাতিক আইনে অপরাধ হলেও এটি যুদ্ধ নয়। তাই এমন সামরিক হামলা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট ডিনিয়েল নোবোয়া অপরাধ দমনে “মানো দুরা” বা কঠোর হাতে দমন নীতি গ্রহণ করেছেন।
তিনি বলেছেন, “দেশের প্রতিটি কোণে শান্তি ফিরিয়ে আনতে আমরা অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেব।”
তবে সমালোচকরা যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান সামরিক উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
