আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করছে। সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১২ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
হামলায় একটি সামরিক উড়োজাহাজও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত মার্কিন আহত সেনার সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়েছে।
এদিকে ইরানের বুশেহর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তেহরানের দাবি, এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের তৃতীয় দফার হামলা।
যদিও এই হামলায় কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি, তবে ইরান বলছে-শান্তিপূর্ণ পরমাণু স্থাপনায় হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের শামিল এবং এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।
তিনি বলেন, ইরান দ্রুত প্রণালি উন্মুক্ত না করলে দেশটির জ্বালানি অবকাঠামোতে বড় ধরনের হামলা চালানো হতে পারে। যদিও চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরানে জ্বালানি স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন।
ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, এখনো ইরানে হাজার হাজার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত রয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক তৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে, তবে একই সঙ্গে পাল্টাপাল্টি হামলা, সামরিক শক্তি প্রদর্শন এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সম্পৃক্ততায় পুরো মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
ফলে যুদ্ধ পরিস্থিতি দিন দিন জটিল ও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে।
